তৃণমূল এখন দেড় জনে চালাচ্ছে! এবার জিতলে ওঁরা কিডনি বেচবে, আমরা সোনার বাংলা গড়বো: শুভেন্দু উবাচ

শুভেন্দু বললেন- ‘আপনারা জানেন পৃথিবীর বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। যারা মানু্ষের সমর্থন নিয়ে দেশ চালানোর অনুমতি দিয়েছ। অমিত শাহ, দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে দলে নিয়েছেন। আমি শৃঙখলা মেনে চলি। দিলীপবাবু আমাকে কেতুগ্রাম ও ছাতনি আসতে বলেন। আমি বলি আমাকে প্রথমটায় ছাড় দিতে। এই প্রথম সভা আমার কাছে স্মরণীয়। কৃষকদের মধ্যে অতীতে করেছি।’

শুভেন্দু এদিন বলেন, ‘আমি টিএমসি ছেড়ে কেন এলাম? যুক্ত হলাম এই কারণে যে আমি আমার নৈতিকতা বাদ দিই না। আমি এখন সাধারণ ভোটার। আমার ভোটার হিসাবে অন্য দলে যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। আমাকে যারা বিশ্বাসঘাতক বলছেন তাদের বলব, ৯৮ সালে টিএমসি হবার পরে, পঞ্চায়েত, লোকসভা ভোটে কারা ছিল? অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবানি না থাকলে আজ এই জায়গায় যেত না। আমি ২০০৪ সালে তমলুক থেকে লক্ষন শেঠের বিরুদ্ধে এনডিএ প্রার্থী হিসাবে লড়েছিলাম। ২০০৭ সালে ১৪ মার্চ ঘটনার পরে অন্য দল আসেনি। আডবানি, রাজনাথ, সুষমা স্বরাজ এসেছিলেন। দিল্লিতে তাঁরা আলোচনা করেছিলেন।

নিজের দলবদলের কৈফয়তে শুভেন্দু বললেন শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, মীরজাফর নয়। এই দল এখন দেড় জনে চালাচ্ছে। তাঁর স্লোগান, তোলাবাজ ভাইপোর হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাও। তৃণমূল সম্পর্কে শুভেন্দুর অভিযোগ, বালির গাড়ি রাস্তা ভাঙছে, পাথর, কয়লা, গরু বেচেছে। এবার জিতলে কিডনি বেচবে। আমায় বিধানসভার টিকিট দিতে হবে না। আমি ১৬ ঘন্টা খাটব। নীচে বসব। কিন্তু আমরা জিতব। সোনার বাংলা গড়ব।