ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না, সাফ জানিয়ে দিলেন বিধায়ক শীলভদ্র, ক্ষোভ মেটাতে তৎপর পিকের টিম

Shilbhadra Dutta, TMC, West Bengal Assembly Election

বিধানসভার নির্বাচন,হাতে গোনা কয়েকটা মাস আর বাকি৷ আর এরই মধ্যে অনেক নেতারাই তৃণমূল ছেড়ে কেউ দিয়েছেন বিজেপিতে যোগ আবার কারও আবার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে জোর জল্পনা৷ নির্বাচনের প্রাক্বালে যেখানে পার্টিকে আরও দৃঢ়মূল করে ফেলাই হতে পারে অন্যতম স্ট্যাটেজি,সেখানে একের পর এক নেতারা ছেড়ে দিচ্ছেন দল৷ শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত টিম পিকে—র নজরে৷ এদিন পিকে টিমের দুজন সদস্য আসেন শীলভদ্রের বাড়িতে৷ এর আগেও বিধায়ক জানিয়েছেন যে আগামী নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের হয়ে আর দাঁড়াচ্ছেন না৷ পিকের টিমের সাথে বৈঠকের পরেও সিদ্ধান্তে অনড় রইলেন শীলভদ্র৷ কোনোভাবেই আর তিনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে ভোটে লড়বেন না৷

দলের পরিচালনার মূল কার্যভার প্রশান্ত কিশোরের হাতে তুলে দেওয়ায় অসন্তুষ্ট হন তৃণমূলের কয়েকজন নেতা ও বিধায়ক৷ তৃণমূলকে পরিচালনার দায়িত্ব প্রশান্ত কিশোরের—এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ পার্টির একাংশ৷ দক্ষিণ কোচবিহারের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে৷ অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীও পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রীত্বের পদ থেকে,তার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েও এখনও চলছে জল্পনা৷ তবে দল এখনও ছাড়েননি তিনি৷ মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ করার আগে এই পিকের টিম—ই গিয়েছিল তার কাঁথির বাড়িতে৷তবে সেইসময়ে বাড়িতে ছিলেন না শুভেন্দু,বাবা শিশির অধিকারীর সাথে কথা বলে চলে আসে পিকের দল৷কিন্তু শেষমেষ নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে ইস্তফা দিলেন মন্ত্রীসভা থেকে৷

এবারও দেখা গেল ব্যারাকপুর অঞ্চলের বিধায়ক শীলভদ্রের গলায়ও একই সুর৷ দুই সদস্যের পিকের টিম এসেও তার সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারলো না৷ তারা কথা বলে চলে যাওয়ার তিনি এও বলেন যে, “পাবলিকলি আমি যা বলেছি এখনও তাই বলছি,ভোটে দাঁড়াবো না,পার্টির কর্মীরা এসে কথা বললে আরও ভালো হত”৷ এ থেকে স্পষ্ট যে তিনি পিকের টিমের সাথে কথা বলে সন্তুষ্ট নন,তিনি চেয়েছিলেন দলের লোকেরা আসুক তার বাড়িতে৷ ক্ষোভ মেটাতে পিকের টিমের এই উদ্দ্যোগে ফলাফল আশানুরূপ হতে দেখা গেল না৷

তবে কি এবার শীলভদ্রও হাঁটবেন শুভেন্দুর পথে? তা নিয়ে কাটলো না ধোঁয়াশা৷ তবে পাশাপাশি বিধায়ক এও জানান যে তিনি যতদিন বাঁচবেন ততদিন ব্যারাকপুরের মানুষের পাশে থাকবেন৷