যদি সত্যিই আমার পরিচয় শিশির অধিকারীর ছেলে হয়ে থাকি, তবে তোমরা এত হাঁপাচ্ছ কেন? কাঁথির মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দু’র

সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে রোড শো ছিল দেখবার মতন! উপচে পড়ছে অনুগামীদের ভিড়। রাস্তার দু’ধারে বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে গ্রামেরই মহিলারা তখন ফুল ছুড়ছেন। যেন ‘দেবদর্শন’এ পুষ্পবৃষ্টি! তৃণমূলের জবাবি সভা ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। যার নির্যাস রোড শো ও সভা- দুইয়ের মেলবন্ধন যেন কাঁথির ভূমিপুত্রের শক্তিপ্রদর্শনের পরিচায়ক।

তিনি স্লোগান তোলেন, ‘ইজ বার ২০০ পার…’ রোড শো ছিল কার্যত ট্রেলার, গোটা সিনেমা দেখল কাঁথির সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ট। সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ পৌঁছন সেই সভাস্থলে।

বললেন, ” বক্তৃতা করেই যদি সব হতে পারে, তবে নন্দীগ্রাম হত না।” কথা প্রসঙ্গে এদিন বারবার শুভেন্দুর মুখে উঠে এসেছে অধিকারী পরিবারের কথা। তিনি বলেন, ‘অধিকারী পরিবার না থাকলে মুখ্যনমন্ত্রী হতেন না।’ এদিন পুরনো অনেক কথাই শোনা যায় শুভেন্দুর গলায়। বলেন, “যে সময় কেউ কিরণময় নন্দ, লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে লড়তে চায়নি সেই সময় লড়াই করে দলকে বাঁচিয়েছিলাম। লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে কেউ লড়তে চায়নি, আমি লড়েছিলাম।”