এই মুহুর্তে নয়া কৃষিবিল প্রত্যাহার করা হোক, মোদী সরকারকে সরাসরি আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনকে প্রত্যাহার করার দাবীতে এই মুহুর্তে উত্তাল গোটা দেশ৷ পাঞ্জাব,হরিয়ানা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শয়ে শয়ে কৃষকরা যোগ দিচ্ছে কৃষিবিলবিরোধী আন্দোলোনে৷ কৃষক আন্দোলোন এই মুহুর্তে নিয়েছে এক ভয়ঙ্কর রূপ৷ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলিও হাঁটছে ধর্মঘটের পথে৷ কৃষিবিল প্রত্যাহার না হলে আন্দোলোন তুলবে না কৃষকরা৷

নতুন এই কৃষি আইন যে কৃষক স্বার্থবিরোধী তা নিয়ে সরব মমতাও৷ আজ সকালে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি জানান যে কেন্দ্রের নয়া কৃষিআইন কৃষকদের বিপক্ষ এক অবস্থানকে ইঙ্গিত করে৷ প্রথম থেকেই রাজ্য সরকার এই আইনের বিরোধীতা করছে ৷ কেন্দ্রকে সরাসরি কৃষিবিল তুলে নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী৷ কেন্দ্র সরকার কোনোভাবেই কৃষকদের বিরোধী কোনো বিল আনতে পারেন না৷

এমনকি এর আগেও মমতা জানিয়েছিলেন যে এই আইন প্রত্যাহারের দাবীতে যেতে পারেন দিল্লি অবধিও৷ মুখ্যমন্ত্রী মোদী সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন যে ,”দেশের সমস্ত সম্পত্তি বিজেপি ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করছে”৷ দেশীয় সম্পত্তিকে বিজেপির হস্তগত করতে তিনি দেবেন না৷ পাশাপাশি তিনি এও বলেন যে কেন্দ্র সবকিছু বেচে দিচ্ছে৷এয়ার ইণ্ডিয়া,কয়লা,BSNL,BHEL,ব্যাঙ্ক ,ডিফেন্স একে একে বিক্রি করেছে মোদী সরকার৷

গলার সুর চড়িয়ে বলেন, কৃষকবিরোধী নয়া আইনকে এই মুহুর্তে প্রত্যাহার করে নিতে হবে কেন্দ্রকে৷ দেশীয় সম্পত্তির প্রাইভেটাইসেশন করতে চায় বিজেপি এবং তা তিনি কোনোভাবেই হতে দেবেন না৷ এই প্রসঙ্গে ৪ঠা ডিসেম্বর শুক্রবার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একটি সভার ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেখানে আলোচ্য বিষয় থাকবে নয়া কৃষিআইন এবং তা যে আসলে সাধারণ জনগণের স্বার্থবিরোধী ,তা নিয়ে বোঝাবেন তিনি৷ এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশছোঁয়া মূল্যতে জনগণ নাজেহাল বলেও দাবী তার৷

কেন্দ্রকে নতুন কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয় ফেসবুক পোস্টটিতে৷ এই বিল যে আদতে জনগণবিরোধী তা তার কথায় স্পষ্ট৷ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র—রাজ্য তরজা যে বৃদ্ধি পাচ্ছে রোজ, কৃষিবিলকে ইস্যু করে তার ছবি একেবারে পরিষ্কার৷