“রাজনীতির যা দুরাবস্থা তা পরিবর্তনের জন্য ভালো লোক দরকার,বিজেপি সবাইকে আহ্বান জানায়”,সৌরভের রাজনীতি যোগ প্রসঙ্গে জল্পনা বাড়ালেন দিলীপ

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন৷ রাজ্য রাজনীতি প্রতিনিয়তই সরগরম নতুন নতুন খবরে৷ দলবদল তো চলছেই,তবে এরই মধ্যে পারদ চড়িয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলীর রাজভবনে যাওয়া৷ রাজ্যপালের সাথে তার বৈঠককে কেন্দ্র করে এবার জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷ তবে কি এবার সৌরভ যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে? জানা যায়নি স্পষ্ট কিছুই! অনেকে মনে করছেন আসন্ন নির্বাচনে সৌরভ গাঙ্গুলী হতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ৷ তবে বরাবরই যিনি তার ঝাঁঝালো মন্তব্যের জেরে থাকেন খবরের শিরোনামে,এবার সেই দিলীপ ঘোষ জল্পনাকে আরও বাড়িয়ে তুললেন৷ তিনি বলেন,”আগে দলে যোগ দিতে হবে সৌরভকে,নিজের কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে নিজের যোগ্যতা৷৷”

উত্তর দমদমে চা চক্রে এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি৷ প্রায় রোজই চায়ে পে চর্চায় যোগ দেন দিলীপবাবু৷ নানান চাচাছোলা মন্তব্য করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে তুলে দেন৷ সোমবার ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে এযে বলেন,”সমাজে যারা সফল ব্যক্তি,তাদের আসা উচিৎ রাজনীতিতে৷ বিজেপি সবাইকে নিয়ে লড়াইয়ের জন্য তৈরী৷” সৌরভের রাজনীতি যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”রাজ্যপালের সাথে যে কেউ দেখা করতে পারেন৷ এর মধ্যে কোনো রাজনীতি আছে কিনা জানি না৷ আমি আগেই বলেছি সবাইকে বিজেপি আহ্বান জানাচ্ছে৷”

এদিন দিলীপবাবু আরও বলেন,”সৌরভ গাঙ্গুলী আমাদের ক্যাপ্টেন ছিলেন এবং একজন সম্মানীয় নাগরিক৷রাজনীতির যা দুরাবস্থা তার জন্য পরিবর্তন দরকার৷ভালো লোকেদের দরকার৷” চা—চক্রে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ আরও অনেককিছুই বক্তব্য রাখলেন—

১.পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র নেই৷এখানে ভোট দিতে দেয় না৷
২.কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুঠ হয়ে যাচ্ছে৷
৩.আমরা সভা করব,পারমিশন দেবে না৷
৪.বিজেপি নীতি আদর্শের মধ্যে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করে৷ যে পার্টিতে গণতন্ত্র নেই,সেখানে কেউ এখন আর থাকতে পারছেন না৷ওখানে কোনো সম্মান নেই৷
৫.পুলিশ দিয়ে মেরে আটকানো হচ্ছে বিজেপিকে৷কিন্তু আটকাতে পেরেছে কি?
৬.প্রধানমন্ত্রী চান,প্রত্যেক বাড়িতে শৌচালয় হোক,কিন্তু এখানে হচ্ছে না৷এখানে লুঠ চলছে৷চালচোর মন্ত্রী বলছে তিনি জানেন না কিছু৷
৭.আর ৪—৫মাস আছে,লুটে নেবে সব৷
৮.চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বঞ্চিত করে রেখেছে বাংলার মানুষকে৷
৯.দিদি ক্ষমতায় আসতেই ধর্ষণ বেড়ে গেল৷স্কুলে শিক্ষক নেই৷বাচ্চারা মিড ডে মিল খেয়ে চলে আসছে৷
১০.লোকসভায় আপনারা যেভাবে আমাদের ভোট দিয়েছেন,বিধানসভাতেও দেবেন! এখানকার পুলিশকে ভোট কেন্দ্রে দাঁড়াতে দেব না৷ কোনও গুণ্ডাকে ঘর থেকে বেরোতে দেবো না৷

সাথে দিলীপ ঘোষের হুঙ্কার,”সবাইকে বলে রাখুন যদি হাসপাতালে যেতে না চায় তাহলে ভোট কেন্দ্রে যাতে না দেখা যায়৷”