শুভেন্দুই প্রকৃত বিশ্বাসঘাতক! ‘বিজেপি’ নেতার গড়ে দাঁড়িয়ে বাক্য বিস্ফোরণ সৌগত-ফিরহাদের

কাঁথিতে বুধবার তৃণমূলের সভায় ফিরহাদ হাকিম বলেন…

* ‘দুর্ভাগ্য, আজ শুভেন্দুকে নাথুরাম গডসে জিন্দাবাদ বলছেন। জেলে যাওয়ার ভয়, নাকি ক্ষমতার লোভে তা জানা নেই।’

* ‘এখন মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে তাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে।’

* ‘লজ্জা লাগ না শুভেন্দুবাবু? যাঁরা পুঁজিবাদীদের কাছে কৃষকদের বিক্রি করে দেয় সেই দলের নেতা অমিত শাহকে পায়ে ধরে আপনি কূ বললেন? ‘

* ‘শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য ক্ষমা চাইছি।’

* ‘মমতাকে নয়, শুভেন্দু মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে।’

* ‘পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯- কীভাবে মনোনয়ন পেলেন। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। যেখানে ছিলে ওখানেই থাকতে হত।’

* ‘তৃণমূলে পরিবারতন্ত্র নেই। বরং পরবর্তী প্রজন্মকে আদর্শে দিক্ষিত করে তাঁদের রাজনীতিতে পাঠানো হয়। কিন্তু বিজেপি নেতারা তাঁদের ছেলে-মেয়েদের ধান্দাবাজির জন্য রাজনীতিতে পাঠায়।’

* ‘পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টা বিধানসভা আসনই তৃণমূল জিতবে।’

বুধবার তৃণমূলের সভায় সাংসদ সৌগত রায় বলেন…

* ‘শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না।’

* ‘মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? ‘

* ‘শুভেন্দু এমন কোনও বড় পালোয়ান নন, শুভেন্দুর থেকে বড় পালোয়ান অখিল গিরি।’

* ‘কাঁথি কোনও পরিবারের সম্মত্তি নয়, কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই রয়েছেন।’

* ‘সরস্বতীর কোনও বরপুত্র এসে নন্দীগ্রামের আন্দোলন করেননি, দেখতে ভাল অনেকেই বলছেন তাঁরা নন্দীগ্রামের নেতা। কিন্তু নন্দীগ্রামের আন্দোলন হয়েছে মমতার নেতৃত্বেই।’

* ‘বৈঠকে অভিষেকের সামনে শুভেন্দু কোনও বিরোধিতা করেননি। কিন্তু তারপরই বলছে ভাইপো হঠাও। এটা দ্বিচারিতা।’