রাজ্যে এসে মিথ্যাচার অমিত শাহ’র! গুনে গুনে সাতটির ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন

তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের দাবি, রাজ্যে এসে মোট ৭টি মিথ্যে বলেছেন অমিত শাহ। রবিবার একটি টুইট করে তার ব্যাখ্যা করেছেন তৃণমূল সাংসদ।

অমিত শাহর দাবি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছিলেন। এখন অন্যদের বিরুদ্ধে দল ভাঙানোর অভিযোগ করেছেন।

ডেরেকের জবাব

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে অন্য কোনও দলে যোগ দেননি। কংগ্রেস ছেড়ে তিনি ১৯৯৮ সালে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস(TMC) গঠন করেছিলেন।

—————

অমিত শাহর দাবি

আয়ূষ্মান ভারতের কোনও সুবিধে বাংলার মানুষকে দেওয়া হচ্ছে না।

ডেরেকের জবাব

আয়ূষ্মান ভারত প্রকল্প চালুর ২ বছর আগে বাংলায় চালু করা হয়েছিল স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প (Sastha Sathi)। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে রাজ্যের ১.৪ কোটি পরিবার বিমার সুবিধে পেয়েছেন। ওইসব পরিবার বছরে পেয়েছে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা।

—————

অমিত শাহর দাবি

প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধির ৬ হাজার টাকা পাওয়া থেকে রাজ্যের মানুষ বঞ্চিত।

ডেরেকের জবাব

কিষান বন্ধু প্রকল্পে রাজ্য সরকার প্রতি একর জমিতে রাজ্যের চাষিরা পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রী(PM Narendra Modi) কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পে প্রতি একর জমিতে চাষিদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ১,২১৪ টাকা।

—————

অমিত শাহর দাবি

গত দেড় বছরে রাজ্যে খুন হয়েছেন ৩০০ বিজেপি(BJP) সমর্থক।

ডেরেকের জবাব

বহু বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে। কেউ আত্মহত্যা করলে তাকে খুন বলে চালানো হচ্ছে। ১৯৯৮ সালে থেকে এখনও পর্যন্ত ১০২৭ তৃণমূল(TMC)কর্মী খুন হয়েছেন।

—————

অমিত শাহর দাবি

বাংলার মানুষের জন্য মোদীর পাঠানো খাদ্যশষ্য নয়ছয় করেছেন তৃণমূল কর্মীরা।

ডেরেকের জবাব

রাজ্যের খাদ্য সাথী প্রকল্পে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ১০ কোটি মানুষকে ফ্রিতে রেশন দেওয়া হয়েছে।

—————

অমিত শাহর দাবি

বাংলায় জে পি নাড্ডাকে(J P Nadda) পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি।

ডেরেকের জবাব

জে পি নাড্ডার জন্য জেড প্লাস নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু নিয়ম ভেঙে তিনি তাঁর কনভয়ে গাড়ি সংখ্যা বাড়িয়ে দেন।

—————

অমিত শাহর দাবি

নরেন্দ্র মোদী বহু গরিব মানুষকে ঘর দিয়েছেন।

ডেরেকের জবাব

এক্ষেত্রে কেন্দ্র দেয় ৬০ শতাংশ ও রাজ্য সরকার দেয় ৪০ শতাংশ খরচ। ২০১১-২০ সাল পর্যন্ত কেন্দ্র রাজ্য সরকার তৈরি করেছে ৩৩,৮৭,০০০ ঘর। এতে খরচ হয়েছে ৩৯,৯৯৩ কোটি টাকা। গীতাঞ্জলি প্রকল্পে ৩,৯০,০০০ ঘর তৈরি করেছে রাজ্য। খরচ হয়েছে ৩৫৫০ কোটি টাকা।