২০২১-এর নির্বাচনে ৮০ জন মুসলিম প্রার্থীর দাবী নিয়ে নবান্নে ত্বহা সিদ্দিকি

আগামী বছরের নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদলের পাশাপাশি শাসকদল তৃণমূলও শুরু করে দিয়েছে প্রস্তুতি৷ বাংলায় তৃণমূলের সরকার রাখতে তৎপর মমতাবাহিনী৷ সবদিককে বিবেচনা করার পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ভোটকেও নিজেদের দখলে করতে মরিয়া তৃণমূল৷

জনসংযোগ আরও বাড়াতে সরকারের তরফে চালু হয়েছে কিছু প্রকল্প৷ “দুয়ারে দুয়ারে সরকার” বা “চলুন মাস্টারমশাই বেরিয়ে পড়ি বাড়ি বাড়ি”—র মতো সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ আসন্ন ভোটকে মাথাস রেখে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় শুরু হয়েছে পার্টির প্রচার ৷ এরই মধ্যে পীরজাদা ত্বহা শরীফ নিজেই এসে নবান্নে সাক্ষাৎ করে গেলেন মমতা ব্যানার্জীর সাথে৷ গতকাল সাথে সিদ্দিকি একটি স্মারকলিপিও জমা দেন৷সূত্র মারফত খবর যে,ত্বহা সিদ্দিকি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের তরফে ৭০—৮০জন মুসলিম প্রার্থী করার আবেদন করেছেন৷ পাশাপাশি চাকরীতে মুসলিমদের সংরক্ষণ দেওয়ার দাবীও ছিল সিদ্দিকির তরফের স্মারকলিপিতে৷

এছাড়াও ফুরফুরা শরীফে পীর আবুবক্কার সিদ্দিকির নামে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার আর্জি জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে৷ শুধু এটুকুই নয়, দীর্ঘ সাত বছর ধরে মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ,তা আবারও চালু করার দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে বলেছেন ত্বহা সিদ্দিকি৷

মমতা—ত্বহা সিদ্দিকি সাক্ষাতের কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি ফুরফুরা শরীফে পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী৷ যদিও তাদের সাক্ষাৎ ঘটেনি সেদিন৷  ঠিক তারপরই নবান্নে ত্বহা সিদ্দিকির আগমন কি কোনো নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত? সংখ্যালঘুদের ভোট আসলে কার পক্ষে? সে নিয়ে জল্পনা অব্যাহত৷