সংসদে জঙ্গি হামলার ১৯বছর পূর্তি, টুইটে “কাপুরোষোচিত” বলে নিন্দায় সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী

২০০১ সালে আজকের দিনেই অর্থাৎ ১৩ই ডিসেম্বর জঙ্গি হামলা ঘটে লোকসভায়৷ সেখানে সেদিন অধিবেশন চলাকালীন সংসদ পরিধিতে প্রবেশ করেছিল লস্কর—ই—তইবা আর জৈশ—ই—মহম্মদের পাঁচজন জঙ্গি৷

প্রথমদিকে একতরফা আক্রমণ চালিয়েছিল তারা,কিন্তু তারপরেই পাল্টা আক্রমণ করে সিআরপিএফ আর দিল্লি পুলিশ৷ শেষপর্যন্ত লড়াই চলে ,পাঁচ জঙ্গিকেই পরাস্ত করে পুলিশ৷ তবে লড়াইয়ে শহীদ একজন মহিলা কনস্টেবল আর পুলিশের পাঁচজন কর্মী৷ এছাড়াও মৃত্যু ঘটে এক বাগানকর্মীর এবং এক চিত্রসাংবাদিকের ৷ শহীদ হন সংসদের ওয়াচ আর ওয়ার্ড বিভাগের নিরাপত্তা রক্ষীরা৷

এই হামলার পর পেরিয়ে গেছে ১৯টা বছর৷ আজকেই সেই দিন,যা ভারতের ইতিহাসে চিরস্মৃত হয়ে থাকবে৷জঙ্গি হামলার বর্ষপূর্তিতে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ রবিবার সকালে টুইটে লেখেন,” ২০০১সালে আজকের দিনে আমাদের সংসদে যে কাপুরুষোচিত হামলা হয়েছিল তা আমরা কোনোদিনও ভুলবো না”৷ সংসদকে রক্ষা করতে গিয়ে যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন ,শহীদ হয়েছিলেন তাদের উদ্দেশ্যেও এদিন শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন মোদী৷ লেখেন,”ভারত তাঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ”৷

পাশাপাশি এদিন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন৷ সংসদকে “গণতন্ত্রের মন্দির” বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ তাদের উদ্দেশ্যে সম্মান জ্ঞাপন করে তিনি লেখেন আজকের দিনে যারা সংসদকে রক্ষা করতে গিয়ে নিষ্ঠা ও সাহসের পরিচয় দিয়েছিলেন তা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সংকল্পকে আরও মজবুত করে তুলেছিল৷

উল্লেখ্য,আজকের দিনে ২০০১—এ হামলার পর থেকেই পাকিস্তানের সাথে ভারতের সম্পর্কে জটিলতা বাড়ে৷ ভারতের তরফে অভিযোগ উঠেছিল যে জঙ্গি হামলার পিছনে ছিল পাকিস্তানের মদত৷ হামলার মাস্টারমাইণ্ড আফজল গুরু,আফসান গুরু,শওকত হোসেন ও এসআর গিলানিকে আটক করা হয়েছিল এবং পরে আফজল গুরুর ফাঁসি হয়৷

পাকিস্তান অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ মানেনি তখন৷