পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করলে শান্তি ফিরবে দক্ষিণ এশিয়ায়,বিশ্বমঞ্চে ফের পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

বিশ্বের দরবারে ফের পাকিস্তানকে নিশানা করল ভারত৷ রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভারত পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী মনোভাব দেগে দিল বিপজ্জনক বলে৷ কর্তারপুর করিডোর নিয়ে পাকিস্তানকে নিয়ে একেবারে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে কটাক্ষ শোনা গেল ভারতের গলায়৷ রাষ্ট্রসংঘে ভারতের সচিব আশিস শর্মা কড়া ভাষায় নিন্দা করেন পাকিস্তানকে৷

এদিন তিনি বলেন যে পাকিস্তানে দিনের পর দিন ঘটে চলেছে সংখ্যালঘু হত্যা,মানুষের ওপর অকথ্য অত্যাচার এবং পাশাপাশি ক্রমাগতই বাড়ছে বলপূর্বক ধর্মান্তরীকরণ৷ পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলা এই স্বৈরাচারীতা ভারত কতদিন আর মুখ বন্ধ করে দেখবে? প্রশ্ন তোলেন আশিস শর্মা৷

পাকিস্তানের নীতি সন্ত্রাসবাদকেই প্রশ্রয় দেওয়া—এমন অভিযোগ এনে ভারত সচিব বলেন যে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে অত্যন্ত বিপদযুক্ত একটিই দেশ ,তা হল পাকিস্তান৷ পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারতের তরফে এও বলা হয় ,যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে মদত ও প্রশ্রয় দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে তবেই দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ফিরে আসা সম্ভব৷ পাকিস্তানের অবস্থা এই মুহুর্তে অত্যন্ত ভয়াবহ৷ গতবার সেখানে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছিলো,কিন্তু সেই প্রস্তাব রয়ে গেছে প্রস্তাবের মতোই,পালন করেনি পাকিস্তান৷

কর্তারপুর করিডোরকে ইস্যু করে আশিস শর্মা বলেন যে গতমাসে কর্তারপুরের গুরুদ্বারার দায়িত্বভার পাকিস্তান প্রশাসনের তরফে ইচ্ছাকৃত তুলে দেওয়া হয় অ—শিখদের হাতে৷ এই কাজ শিখধর্মের মানুষদের সুরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং তাদের ধর্মের ক্ষেত্রে পরিপন্থীও বটে৷

এছাড়াও রাষ্ট্রসংঘের তীব্র সমালোচনা করে ভারত সচিব বলেন যে ভারতীয় বিভিন্ন ধর্ম যেমন—হিন্দু,বৌদ্ধ ও শিখ সহ আরও ধর্মাবলম্বী মানুষদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে হয়ে চলা হিংসার কোনোরকম সমালোচনা করতে দেখা যায় না রাষ্ট্রসংঘকে৷ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে ভারতীয় নানান ধর্মাবলম্বী মানুষদের ওপর অত্যাচার৷ কিন্তু তা নিয়ে নিন্দায় সরব হয় না রাষ্ট্রসংঘ৷ আশিস শর্মার বক্তব্য,”আমরা অবশ্যই ইসলামোফোবিয়া ও খ্রিষ্টানদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে তদন্ত চাই৷” এইসকল বিষয়ের পাশাপাশি তিনি এও জানান যে , ভারত সেই সমস্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করে৷