কথা দিয়ে কথা রাখছেন রাজ চক্রবর্তী! বিদ্যুৎপৃষ্ট মহিলার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন, দুঃস্থ শিশুর প্রাণ বাঁচালেন রাজ

সম্প্রতি ভোটে জিতে নয়া ব্যারাকপুরের বিধায়ক হয়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তিনি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলেন তিনি ভোটে জিতল তাদের পাশে থাকবেন। যেকোনো রকম পরিস্থিতিতে তাকে পাশে পাবেন ব্যারাকপুরবাসী। কথা রেখেছেন তিনি। এমনটাই বলছেন কোটা ব্যারাকপুরবাসী।

ভোটে জেতার পর থেকেই রাজ চক্রবর্তী বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নয়া বিধায়ক মানুষের ডাকে বারবার সাড়া দিয়েছেন। তার কাছে এসেছে বারবার সাহায্যের আর্জি।

তিনি সব সময় নিজের সাহায্যের হাত বাড়িয়েই রেখেছেন। তিনি সমস্ত কিছু নিজের হাতে সামলাচ্ছেন। বিধায়ক হওয়ার পরই তিনি ব্যারাকপুরের উন্নয়নের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

ব্যারাকপুরের এক বাসিন্দা রাজিয়া সম্প্রতি বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে আহত হয়েছেন। সেই খবর কানে যাওয়া মাত্রই রাজ চক্রবর্তী পৌঁছে যান রাজিয়ার বাড়িতে। সেখানে গিয়ে তার অবস্থা দেখে তিনি তার চিকিৎসা সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। বিপদের সময় বিধায়ককে পাশে পেয়ে আপ্লুত রাজিয়ার গোটা পরিবার।

আশিয়া খাতুন এবং মহম্মদ ইসলামের সন্তান ছোট থেকেই দুরারোগ্য হৃদরোগে আক্রান্ত। তাদের সন্তানের হৃদযন্ত্র বাঁদিকের পরিবর্তে ডানদিকে আছে। ব্যারাকপুরের ডাঃ বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে বাচ্চাটি ভর্তি ছিল।

ওই সময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ বাচ্চাটিকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু করো না পরিস্থিতির জন্য ঐ বাচ্চাটির বাবা মা কোথাও বেড পাচ্ছিলেন না।

এই খবর রাজ চক্রবর্তীর কানে যাওয়া মাত্রই তিনি ওই বাচ্ছাটির চিকিৎসা ব্যবস্থা একটি বেসরকারি হাসপাতালে করে দেন। বর্তমানে বাচ্চাটি একেবারে সুস্থ। হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটি বাড়ি ফেরার পর তিনি তাকে তার বাড়ি গিয়ে দেখেও আসেন।

বিধায়ক হওয়ার পর তারই মানবিক উদ্যোগ দেখে খুশি সকলেই। শুধু ব্যারাকপুরবাসীর বিপদেই নয় অনেক সময় তিনি অনেক জায়গায় ছুটে যাচ্ছেন তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে।

তিনি ভোটে জেতার আগে বলেছিলেন তিনি ভোটে জিতবে মানুষের পাশে থাকবেন। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী তাঁর কথা রেখেছেন এমনটাই বলছেন গোটা ব্যারাকপুরবাসী।