টলিউড

পারিবারিক বিয়ে না করেই আগেই বাবা-মা হলেন সুপারস্টার অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা! অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার জীবনে আসলো একরত্তি পুত্র সন্তান, নাম ‘তুলো’

অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলা বর্তমানে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পাওয়ার কাপেল। তাদের নিয়ে কোনো না কোনো গল্প চলতেই থাকে মিডিয়াতে এবং দর্শকমহলে। তাদের বিয়ে নিয়ে জল্পনা শেষ নেই মানুষের মধ্যে। মাঝের শোনা গিয়েছিল চলতি বছরের শেষের দিকে কিংবা ২০২২’এর শুরুতে গাঁটছড়া বাঁধতে পারেন এই তারকা জুটি। তবে পরে এক সাক্ষাৎকারে তারা জানিয়ে দিয়েছিলেন তারা এখনই বিয়ে করছেন না। বর্তমানে তারা নিজেদের অভিনয় জীবনের উপরেই মন দিতে চান। সদ্য সদ্য বড় পর্দায় পা রেখেছেন ঐন্দ্রিলা সেন। তার বর্তমান প্রেমিক জীবনসঙ্গীর হাত ধরেই বড়পর্দায় ডেবিউ ঘটেছে তার।

তবে সম্প্রতি এই তারকা জুটি সম্বন্ধে এক অদ্ভুত তথ্য উঠে এসেছে সকলের সামনে। তারা নাকি সম্প্রতি বাবা-মা হয়েছেন তাও আবার বিয়ের আগেই। প্রথমেই এই কথা শুনে অবাক হচ্ছেন সকলেই। এমনকি নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে পরিবারের সেই নতুন ছোট্ট সদস্যের সাথে ছবিও শেয়ার করেছেন তারা। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন কোন নতুন সদস্যের কথা বলা হচ্ছে! হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন তুলোর কথা বলা হচ্ছে।

এই তারকা জুটির সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় চোখ রাখলেই সেই ছোট্ট নতুন সদস্যের দেখা মিলবে। সে হলো এই তারকা জুটির ছোট সারমেয়। তাকে দেখতেও একেবারে তুলোর মতো। এই সাদা ধবধবে ছোট্ট সদস্যের নাম তাই তুলোই রেখেছেন এই তারকা জুটি। ইতিমধ্যেই নিজেদের অনুরাগী ও সমস্ত নেটিজেনদের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন তারা। সেও বেশ পোজ দিয়ে ছবি তুলেছে। ইতিমধ্যেই নতুন সদস্যের ছবি ও তাদের অনুসারীদের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় তুলোর বাবা-মা হিসেবেই নিজেদের দাবি করেছেন তারা।

সম্প্রতি অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলাকে দেখা গিয়েছিল তাদের বন্ধু পূজা ব্যানার্জীর বিয়ের অনুষ্ঠানে। সেখান থেকে ছবিও শেয়ার করেছিলেন তারা। বর্তমানে যেকোনো জায়গাতেই তাদের প্রায়ই একসাথে দেখা যায়। কয়েক মাস আগে অভিনেত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি ফিট হবেন। তার এই সিদ্ধান্তে সম্মতি জানিয়ে তার পাশে ছিলেন অঙ্কুশও। বর্তমানে তিনি নিজের শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে একেবারে ফিট হয়ে গিয়েছেন। আর এরপরেই তার আগেকার এবং এখনকার দুটি ছবি দিয়ে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন তার প্রেমিক অঙ্কুশ হাজরা।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Oindrila Sen (@love_oindrila)

Back to top button