‘কারও স্নানঘরে ঢুকিনি’, ভোটপ্রচারের ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন হিরণ

একুশের নির্বাচনে রাজ্যে ভরাডুবি হয়েছে গেরুয়া শিবিরের।কিন্তু BJP-তে যোগ দিয়েই সাফল্যের মুখ দেখেছেন টলিতারকা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। যে আসন উপ নির্বাচনেও ধরে রেখেছিল তৃণমূল সেখানে আবারও পদ্ম ফোটায় হিরণ।

খড়গপুর সদরের মতো কঠিন আসনেও জয়লাভ করেন তিনি। এরপরেও একটি ভাইরাল ছবির জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে এই BJP বিধায়ককে।

প্রচার চলাকালীন সাবান মাখা এক ব্যক্তির সঙ্গে ছবি নেট মাধ্যমে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত। কিন্তু ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই ছবি তোলা হয়েছিল? এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

নেট নাগরিকদের একাংশের কটাক্ষ, প্রচারের জন্য স্নানঘরেও ঢুকে পড়েছিলেন BJP প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ওঠে ট্রোল ঝড়।

ভোটের জন্য বাথরুমে ঢুকে পড়েছেন হিরণ, কটাক্ষ করেছিলেন নেটিজেনরা।এবার এই ঘটনায় ট্রোলারদের জবাব দিলেন এই বিধায়ক। হিরণ জানান, বাথরুমই তো ছিল না।

তাই স্নানঘরে ঢুকে পর প্রশ্নই ওঠে না। ঠিক কী হয়েছিল সেদিন? তারকা জানান, অন্যান্য দিনের মতোই সেদিনও প্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। রাস্তার উপর খোলা জায়গাতেই স্নান করছিলেন ওই ব্যক্তি।

একদিকে যখন রাজ্য সরকার দাবি করেছে ৯৮ শতাংশ উন্নয়ন হয়েছে,তখন বাস্তব এটাই যে বহু মানুষের এখনও শৌচালয় নেই। সেদিন এই সমস্যার কথা তুলে ধরতে ছবি তুলে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন, দাবি তাঁর।

হিরণ বলেন, ‘একজন মানুষের বাথরুম নেই। তা বিষয়টি নিয়ে মজা করছেন সমাজের বিশিষ্টরা।’ তিনি আরও বলেন,’যাঁরা ট্রোল করছেন, তাদের প্রণাম করতে চাই। ঠান্ডা ঘরে বসেই সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা বোঝা যায় না। আর এই অবুঝরাই ছবিটিকে বিকৃত করেছেন।’

রাজ্যজুড়ে BJP-র ভরাডুবির মধ্যেও জয়ী হয়েছেন হিরণ। নির্বাচনের আগে থেকেই টলিউডের সমীকরণ বদলেছে অনেকটাই। রাজনৈতিক কেরিয়ারের প্রভাব কি টলি হিরো হিরণের সিনে যাত্রার উপর প্রভাব ফেলবে? হিরণ জানান, আপাতত করোনা সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে নিজের রুপোলি পর্দার যাত্রা নিয়ে ভাবতে চান না । এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম গতকালই দাবি করেছেন, পর্যাপ্ত টিকার অভাবে রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারছেন না।

এই প্রসঙ্গে পালটা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন হিরণ। তিনি বলেন,’ মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসার পর বিনামূল্যে টিকা দেবেন। ৫ মের পর থেকেই বিনামূল্যে টিকা গ্রহণের প্রতীক্ষায় রয়েছি। কিন্তু আজও হাতে টিকা পেলাম না।’