টলিউড

‘আফগানিস্তানে আজ যা হচ্ছে, কাল তা কলকাতাতেও হতে পারে’, আফগানিস্তানে পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত বাংলাদেশী অভিনেত্রী জয়া আহসান

তালিবানরা জোর করে কিছু এলাকা সরকারের কাছ থেকে দখল করে নেয়। অন্যান্য এলাকায়, আফগান ন্যাশনাল আর্মি গুলি ছাড়াই সরে যায়। যদিও কয়েক সপ্তাহ ধরে নতুন করে সংঘর্ষ চলছিল, কিন্তু গত ১০ দিনে তালেবান দেশজুড়ে দ্রুত অগ্রসর হতে দেখেছিল।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত আফগানিস্তান থেকে ৩২০০ এরও বেশি লোককে সরিয়ে নিয়েছে, যার মধ্যে কেবল মঙ্গলবারই ১১০০ জন রয়েছে।মঙ্গলবার, ব্রিটিশ সরকার বলেছে যে আগামী বছরগুলিতে ২০০০০ আফগানদের ব্রিটেনে পুনর্বাসন করা হবে।

দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবরে বলা হয়েছে, ফরাসি সরকার রাতারাতি একটি সামরিক বিমানে কয়েক ডজন মানুষকে কাবুল থেকে সরিয়ে নিয়েছে। এই ফ্লাইটটি আবু ধাবির একটি সামরিক বিমান ঘাঁটিতে উচ্ছেদকারীদের নিয়ে যায়, যেখান থেকে তাদের অনেকেই ফ্রান্সে ফিরে আসেন।

ফ্রান্স আফগানিস্তান থেকে তার সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং এক হাজারেরও বেশি আফগানকে সরিয়ে নিয়েছে যারা ফরাসি বাহিনীকে সমর্থন করেছিল।

সোমবার, রাষ্ট্রপতি ইমানিউল ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন যে ফ্রান্সের অনুবাদকদের থেকে রান্নাঘরের কর্মী, শিল্পী এবং কর্মীদের ফরাসি বাহিনীকে সহায়তা করা আফগানদের ত্যাগ করবে না ফ্রান্স।

আফগানিস্তানে পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশী অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেছেন “আফগানিস্তানের পরিচিতি দৃশ্য যত দেখছি, আমার ভিতরটা দুমড়েমুচড়ে যাচ্ছে। বুকের ভিতরটা ভয়ে কাঁপছে। আসলে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আঙুল সব সময়েই ওঠে মেয়েদের দিকে। ঠিক কোন না কোনভাবে কম্পাসের কাঁটার মতো তা ঘুরে যায় নারীজাতির দিকে। সারা করিমি যে আহ্বান জানিয়েছেন, আমি মন থেকে তা সমর্থন করি। সকলেই তার পাশে আছি। এত দূর থেকে কতটা কী করতে পারব জানি না, আমার পক্ষে যদি তাদের জন্য কখনো কিছু করার সুযোগ আসে তাহলে আমি নিশ্চয়ই চেষ্টা করব আমার সবটুকু দিয়ে তাদের সাহায্য করার। ওখানকার যে সব ছবি দেখছি, শিউরে উঠছি। ভারত আফগানিস্তান বাংলাদেশ বাজে কোন দেশেই মেয়েদের উপর যদি অত্যাচার হয় তাহলে সেই বিষয়ে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে প্রতিবাদ জানাতে হবে। দেশটা আমাদের নিজেদের নয় বা আমাদের থেকে অনেক দূরে এই ভাবনা চিন্তা নিয়ে থাকলে হবেনা। আজকে যা ওখানে হচ্ছে, কাল তা আমার দেশে বা কলকাতায়ও হতে পারে”।

Back to top button