টলিউড

দীর্ঘ ২৫ বছর পরে অভিনয় জগতে ফিরছেন ‘বেদের মেয়ে জোৎস্না’ খ্যাত অভিনেত্রী অঞ্জু ঘোষ! অনেক বছর ধরেই টলিউড আর ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন অঞ্জু দেবী

নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন অঞ্জু ঘোষ। তার অভিনীত বেদের মেয়ে জোসনা এখনো দর্শকদের মনে আছে। আরো অনেক সিনেমা করলেও বেদের মেয়ে জোসনা তারা তিনি এতটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন যে সকলেই তাকে এই সিনেমার জন্যই চেনেন। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন অঞ্জু। মোটামুটি দুই বাংলা মিলিয়ে চুটিয়ে নিজের অভিনয় জীবন কাটিয়ে ছিলেন তিনি। ছবিতে অভিনেত্রীর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন চিরঞ্জিত।

বর্তমানে বেশ দীর্ঘ কয়েক বছর কেটে গিয়েছে এখনো পর্যন্ত অঞ্জু ঘোষ কে আর কোন সিনেমা দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশেও ২৩ বছর আগে অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সালে পাকাপাকিভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন তিনি, গ্রহণ করেন ভারতের নাগরিকত্ব। তার এই দীর্ঘ কয়েক বছরের বিচ্ছেদের জন্য অনেক প্রশ্ন উঠেছে দর্শকমহলে সম্প্রতি ওপার বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন সেখানে তাকে বিশেষ সমর্ধনা দেওয়া হয়, এমনকি সিনেমা জগতে তার বিশেষ অবদানের জন্য সন্মানিত করা হয়।

জনপ্রিয় ছবি বেদের মেয়ে জোছনা তে অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ঐদিন বাংলাদেশের অনুষ্ঠানে এই অভিনেতা উপস্থিত ছিলেন। আর সেখানেই অঞ্জু এবং কাঞ্চনের নতুন ছবি জোছনা কেন বনবাসে ছবির অ্যানাউন্সমেন্ট করা হয়। এই ছবি প্রযোজনা করছেন নাদের খান। ওইদিনই আবার অঞ্জুর অন্য আর একটি ছবির ঘোষণা করেন শহীদুল হক খান।

বেদের মেয়ে জোসনা ছবি মুক্তির মাত্র ছয় বছর পরে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসেন অঞ্জু। দীর্ঘ ২২ বছর পর বাংলাদেশের অভিনেত্রী জানান যে “বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আমার কোনো বিশেষ কারণ নেই কোন ক্ষোভও নেই দেশের প্রতি। মাত্র দুদিনের জন্য কলকাতায় গিয়েছিলাম কারন সেখানে আমার মা থাকতেন আর সেখান থেকে আর ফিরে আসতে পারিনি একের পর এক সিনেমার অফার আসতে থাকে। আর আমি ও কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ি।”

একসময় দুই বাংলা মিলিয়ে মোট ৩৫০ টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন অঞ্জু ঘোষ। ঐদিন দেশে এসে নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসার কথা জানান তিনি। অভিনয়জগতে সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও নিয়মিতই ইন্ডাস্ট্রির খবর রাখেন তিনি। তবে আবারও দীর্ঘ কয়েক বছর পর অঞ্জু ঘোষ কে টেলিভিশনের পর্দায় ফেরত পেয়ে তার অনুরাগীরা বেজায় খুশি।

Back to top button