মাছের ঝোলে মুগ্ধ সকলে, মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়ার বিচারকরা ৩৮ বছরের বাঙালি কন্যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ

বাঙালিকে বলা হয় মাছে-ভাতে বাঙালি। মাছ না খেয়ে বাঙালি ঠিক থাকতে পারেন না। বাঙালির মাছের তালিকাটা বেশ বড়। রুই, কাতলা, ট্যাংরা, মাগুর, কই, আর, ইলিশ, পার্শে ইত্যাদি আরো কতো কি।

সকাল হোক বা বিকেল হোক কিম্বা রাত পাতে মাছ না পড়লে বাঙালিরা মেজাজ হারান। বাঙালির যেকোনো অনুষ্ঠানে অন্য কিছু হোক না হোক মিষ্টি আর মাছের একাধিক পদ থাকবেই।

কোন অনুষ্ঠান বাড়িতে কেউ যদি ভুল করে বলে ফেলে সে মাছ খায় না বা মাছ খেতে ভালোবাসে না তাহলে ওই অনুষ্ঠান বাড়িতে উপস্থিত সকলে তাকে এমন করে দেখবে যেন সে কোন গর্হিত অপরাধ করে ফেলেছে যার কোনো ক্ষমা হয় না।

কথাটা শুনে হাসি পেলেও এটাই সত্যি। আর সেই মাছেরই বিভিন্ন পদ রান্না করে বাংলাদেশের মেয়ে কিশোয়ার চৌধুরী প্রশংসা কোরালেন মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়াতে।

কিশোয়ার চৌধুরী হলেন বাংলাদেশের মেয়ে। তিনি কর্মসূত্রে অস্ট্রেলিয়াতে থাকেন। তিনি দুই সন্তানের মা। বর্তমানে তার বয়স ৩৮ বছর। ২০২১-এ কিশোয়ার চৌধুরী মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়াতে যোগদান করেছেন। এই বছরে সমস্ত প্রতিযোগীদের মধ্যে তিনি অন্যতম প্রতিভাবান প্রতিযোগী।

কিশোয়ার চৌধুরী মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়াতে মাছের নানা রকম পদ রান্না করে বারবারই চমকে দিয়েছেন সকলকে। বেশিরভাগ বাঙালির প্রিয় খাবার মাছ।

আর সেই মাছকে বিশ্বের দরবারে দেখে খুশি অনেকেই। সম্প্রতি কিশোয়ার বারামুন্ডি মাছ দিয়ে একদম ঘরোয়া মাছের ঝোল বানিয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়ার বিচারকদের।

পেঁয়াজ, টমেটো দিয়ে পাতলা ঝোল বানিয়েছেন। এর সঙ্গে জিরা রাইস আর বিন ভর্তাও বানিয়েছিলেন। এই রান্না খেয়ে মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়ার বিচারকরা কিশোয়ারের রান্নার প্রশংসা থামতেই পারছিলেননা।

বাঙালি রান্না নিয়ে একটি বই লিখতে চান বাঙালি কন্যা কিশোয়ার। এই শোটি ডিজনি প্লাস হটস্টার প্রিমিয়ারে দেখানো হয়।