“একসঙ্গে কাটানো সোনালি দিনগুলি ফিরে পেতে চাই” – শেষবারের মত বন্ধু সিদ্ধার্থ গুপ্তকে বলেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুত

জনপ্রিয় নবীন অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যু সিনেমা যোগিতেরব এক অপূরণীয় ক্ষতি। বন্ধুকে হারিয়ে এখনও শোকে মূহ্যমান সবাই। বন্ধু বিয়োগের ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি বন্ধু কাম রুমমেট সিদ্ধার্থ গুপ্ত । টিভি প্রযোজক বিকাশ গুপ্তর ভাই সিদ্ধার্থ এক সময় সুশান্তের রুমমেট ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশান্তের সঙ্গে কাটানো সময়ের নানা কাহিনী ভাগ করে নিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

সংবাদ মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, কুশল জাভেরি ছিলেন তাদের দুজনেরই বন্ধু। “কুশলকেই সুশান্ত জানিয়েছিল দেখা করার কথা। বলেছিল আমাদের একসঙ্গে কাটানো সোনালি দিনগুলি ফিরে পেতে চায়। কুশলের মাধ্যমে আমাকে ভালবাসা জানিয়েছিল। আমার খুব কষ্ট হয়। ওঁর মৃত্যু আমাদের কাছে একটা বড় ক্ষতি। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে ওঁর দেখানো পথ ধরেই এগোতে চাই। যাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলত।”

তিনি আরও বলেন,” সুশান্তের ফোন নম্বর আমার কাছে ছিল না। ওঁর মৃত্যু কয়েকদিন আগে কুশলই তা পেয়েছিল। কুশলকে আমি বলেছিলাম নিশ্চয়ই সুশান্তের কোনও সমস্যা হয়েছে। কুশলের মাধ্যমেই ওঁকে জানাই আমরা খুব তাড়াতাড়ি দেখা করব। আগে যেভাবে দিন কাটাতাম তেমনভাবেই কাটাব। ওঁর ব্যক্তিগত জীবনে ঢোকার কোনও উদ্দেশ্য় আমাদের ছিল না। আমাদের উদ্দেশ্য় ছিল ওঁর সমস্যা জানা এবং তা সমাধান করা। “

আক্ষেপের সুরে সিদ্ধার্থ বলেন, “জীবনে কোনও কিছুই পরিবর্তন করা যায় না। আমরা একসঙ্গে ভাল ছিলাম। তাহলে হয়ত এমন কিছু ঘটত না। শেষবার যখন সুশান্তের বাড়ি থেকে চলে আসি তখন ও আমায় বলেছিল, আমরা এরপর অনেক উপরে দেখা করব।”
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন গলায় ফাঁস দিয়ে নিজের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুত। এই মৃত্যুর পর নানান সমস্যা হয়। সিবিআই তদন্ত অবধি হয় । কাঠগোড়ায় তোলা হয় অভিনেত্রী এবং প্রয়াত অভিনেতার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে। নাম ওঠে সুশান্তের দিদি, পরিবার সহ প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা লোখান্ডের । মাদক যোগে গ্রেফতার ও করা হয় রিয়া চক্রবর্তীকে।কিন্তু পরবর্তীকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।এখনো অবধি অবশ্য সিরিয়ায় তদন্ত চলছে এই মামলাকে ঘিরে।