“ভাগ্যিস আমাদের জীবনে সন্তান আসার আগেই আমরা আলাদা হয়ে যাই!” ডিভোর্সের চার বছর পর মুখ খোলেন অভিনেত্রী মধুমিতা

জনপ্রিয় সিরিয়াল “বোঝেনা সে বোঝেনা” দিয়ে টেলিভিশন জগতের প্রিয় পাত্রী হয়ে ওঠেন পাখি ওরফে মধুমিতা। এই একটা সিরিয়াল দিয়েই দর্শকদের মনে এক পাকাপাকি জায়গা করে নেন তিনি।

সিরিয়ালটি শেষ হয়ে গেলেও জনপ্রিয়তায় একফোঁটাও ফাঁকি পড়েনি তার। বরং হু হু করে জনপ্রিয়তা বেড়েছে। যে মধুমিতা কে দেখার জন্য মা কাকিমারা টিভির সামনে বসে থাকতেন সেই মধুমিতা এখন নিজের রূপের জৌলুস দিয়ে তরুণদের আকৃষ্ট করে রেখেছেন।

প্রীতম দাশগুপ্তের ছবি “লাভ আজ কাল পরশু” দিয়ে বড় পর্দায় পদার্পণ করেন সকলের প্রিয় পাখি। ছবিটি দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা না বানালেও মধুমিতার অভিনয় আর বল্ডনেস দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছে।

সম্প্রীতি মৈনাক ভৌমিকের পরিচালিত ছবি “চিনি” তে তাবড় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর সঙ্গে স্ক্রিন ভাগ করে নেন তিনি। এই সিনেমাতেও মধুমিতার অভিনয় নজর কাড়ে সবার। শুধু সিনেমাই নয় বোল্ড ফটোশুটেও অভিনেত্রী বেশ সাবলীল।

ক্যারিয়ার তরতরিয়ে বাড়লেও অভিনেত্রীর ব্যাক্তিগত জীবন খুব একটা সুখের নয়। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের প্রথম সিরিয়াল থেকেই দুজনের মধ্যে বেশ মাখো মাখো প্রেম দেখা গেছিল। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে তাদের এই সম্পর্কটি খুব একটা বেশিদিন স্থায়ী হতে পারেনি।

দিন কয়েকের মধ্যেই হয়েযায় ডিভোর্স। মধুমিতা ডিভোর্সের কারণ হিসেবে বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনোভাবেই বনিবনা হচ্ছিল না, দুজনেই দুজনকে বুঝতে চাইছিলাম না। এই রকম একটা সম্পর্কে যেখানে আমরা দুজনই সুখী ছিলাম না সেখানে আমাদের মধ্যে আর কোনো তৃতীয় মানুষ আসেনি এটাই অনেক বড় ব্যাপার।”

মধুমিতা আরো বলেন, “আমাদের ভাবনা চিন্তার কোনো মিল ছিল না আমি উত্তর ভাবলে o দক্ষিণ ভাবতো, তার থেকেও বড় যে কারণটা আমরা দুজনেই অনুভব করি সেটি হল আমরা দুজনেই কেউ খুশি ছিলাম না।” এই কথাগুলি মধুমিতা তার প্রথম সিনেমা মুক্তি পাওয়ার সময়ে বলে ছিলেন।

এখন দুজনেই দুজনের জীবনে নেই, দুজন দুজনের মত সাফল্য অর্জন করতে ব্যাস্ত। মধুমিতা যেমন অভিনেত্রী হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ঠিক তেমনই সৌরভ চক্রবর্তীও একজন পরিচালক হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করছেন।