‘দেশের মাটি’-তে নোয়া নয় মাম্পিকে নায়িকা হিসেবে চাইছে নেটিজেনদের একাংশ, অবশেষে মুখ খুললেন রুক্মা

নতুন রূপে আবার বাংলা টেলিভিশন জগতে ফিরছেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় ও শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়। বড়পর্দায় আদিল হুসেন ও পাওলি দামের অভিনীত ‘মাটি’ গন্ধই তাঁরা ফিরিয়ে এনেছেন ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকে।

দেশের মাটি ধারাবাহিকের মধ্যে আছেন একাধিক অভিনেতা। আছেন তিনজন নায়ক-নায়িকা, তাদের মধ্যে নোয়া-কিয়ান, ডোডো-উজ্জ্বয়িনী, মাম্পি-রাজা। পাশাপাশি রয়েছেন দাদান-ঠাম্মি, জেঠুমণি-বৌরানি।

যদিও নোয়া-কিয়ান এর জুটি দর্শকরা বেশ পছন্দ করেছেন। তাঁদের বিয়ের আগেই ঘটে গিয়েছিল অনেকে কাহিনী, কিন্তু অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন কিয়ান-নোয়া। এদিকে শুটিং চলাকালীন নোয়া ওরফে শ্রুতি করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে চলে গিয়েছিলেন। অথচ তখন তাঁদের বিয়ে সম্পূর্ণ শেষ হয়নি।

তাই গল্প তো থামিয়ে রাখলে হবেনা, গল্পের কাহিনী নোয়া ছাড়াই এগোতে থাকে। তারপরেই গল্পে আসে নয়া মোড়। তখন সকলকে তাক লাগিয়ে মাম্পি-রাজা হয়ে ওঠেন গল্পের হিরো হিরোইন। দর্শকরা প্রথমে একটু অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বৈকি! কারণ কিয়ান-নোয়ার বিয়ের আগে রাজা-মাম্পির সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে।

তাঁদের মধ্যে শুরু হয় ভরপুর রোম্যান্স, কেমিস্ট্রি, বিরহ। যেন অনেকদিন আগের চাপা রাগ, অভিমান থেকে বেরিয়ে আসেন রাজা-মাম্পি। রাহুল আগাগোড়াই একজন ভালো, দক্ষ অভিনেতা।

কিন্তু মাম্পি ওরফে রুকমাও কমকিছু নয়। তিনি অভিনয়ে যথেষ্ট দক্ষ। ‘কিরনমালা’র ধারাবাহিকের মাধ্যমে তাঁর টেলিজগতে অনুপ্রবেশ ঘটে। পরে অবশ্য দু একটা ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র ব্যতীত বেশ কিছু ধারাবাহিকে তিনি নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

কিছুদিন তিনি অভিনয় থেকে সরে গেলেও এবার রুকমার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হয়েছে ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিক দিয়ে। যেখানে প্রথমে তিনি নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করলেও এখন তিনি পজিটিভ চরিত্রে ধরা দিয়েছেন।

তবে রুকমার নেগেটিভ চরিত্রের তালিকায় রয়েছে ‘প্রতিদান’, ‘খড়কুটো’। সব ধারাবাহিকেই রুকমার অভিনয় প্রাধান্য পেলেও এখন রুকমার ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকের অভিনয় অনবদ্য হয়ে উঠেছে।

‘রাজা-মাম্পি’ র জুটিকে অনেকেই প্রশংসিত করেছেন। কিন্তু তাঁরা কি বাস্তবেও প্রেম করছেন, এই কথা অবশ্য দর্শকরা অনুমান করেছেন, বাস্তবে কতটা সত্যিই তা জানা নেই।

যদিও মাম্পি ওরফে রুকমার কথায় ধরা পড়েছে তাঁরা কোনো প্রেম-ট্রেন করছেন না, সবটাই লীনা টিমের কৃতিত্ব।