বাংলা সিরিয়াল

মাঝরাতে জনাইয়ের বাড়ি থেকে মিঠাই কে নিয়ে পালালো সিদ্ধার্থ, ‘মিঠাই’ ধারাবাহিকে এলো নতুন টুইস্ট

এই মুহূর্তে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘মিঠাই’ ধারাবাহিক। নিত্যনতুন টুইস্ট এর মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছে এই ধারাবাহিক। এছাড়াও ধারাবাহিকে মিঠাই এবং সিদ্ধার্থের কেমিস্ট্রি দর্শকের মন জয় করেছে। সম্প্রতি কিছুদিন আগেই দেখানো হয়েছিল জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশেষ পর্ব। ধারাবাহিকে আমরা দেখেছিলাম জন্মাষ্টমীর ঠিক আগের দিনই মোদক পরিবারের বেস কিচেনে আগুন লেগে যাওয়ার অপরাধে মিঠাই কে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

আসলে পুরোটাই পরিকল্পনামাফিক, সিদ্ধার্থের কাছের বন্ধু তোর্সা এবং বাড়ির বড় ছেলে সোম পুরোটা পরিকল্পনা করে মিঠাই ফাঁদে ফেলার জন্য আগুন ধরিয়েছিল। কারণ এদের দুজনের কেউই মিঠাইয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী নয়, সবসময় মিঠাইর ক্ষতি করতে চেয়েছে। মিঠাই গ্রেফতার হওয়ার কথা শুনে সিঙ্গাপুর থেকে মিঠাই কে বাঁচানোর জন্য ছুটে আসে সিদ্ধার্থ। সেই থেকেই সকলের ধারণা সিদ্ধার্থ মিঠাই কে নিজের স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছে। সকলে মিলে আবার সিদ্ধার্থ এবং মিঠাইয়ের তৃতীয় বিয়ে দেয়ার বন্দোবস্ত করে। বর্তমানে এইবিয়ে ঘিরেই তৈরি হয়েছে জটিলতা।

বিনা দোষে জেল খাটার কথা শুনে মিঠাইয়ের মা খুবই ভেঙে পড়েন এবং মিঠাই সাথে দেখা করতে মোদক বাড়িতে উপস্থিত হন। আর ঠিক তখনই তিনি সিদ্ধার্থ এবং মিঠাইয়ের সম্পর্কের কথা শুনে নেন সিদ্ধার্থ যে মনে মনে এখনও বিয়েটা মেনে নিতে পারেনি এবং এরই মধ্যে দুজন ডিভোর্স পেপারে সই করে ফেলেছে তাও তিনি জেনে যান এবং মিঠাইকে মোদক বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়ির সকলের থেকে অনুমতি নেন।

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে মিঠাইয়ের মা মিঠাই কে নিয়ে জনাই তে ফেরত চলে এসেছে। জনাইতে এসে মিঠাইয়ের মন মেজাজ ভালো নেই, ওই দিকে মোদক পরিবারেরও মিঠাই কে ছাড়া এক মুহূর্ত ভাল লাগছে না। মোদক পরিবারের বড় কর্তা অর্থাৎ মিঠাই সিদ্ধাথ সকলের দাদু বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, এবং রাতের অন্ধকারে সকলের চোখের আড়ালে একটি চিঠি লিখে রেখে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান। সকালে উঠে বাড়ির সকলের খোঁজাখুঁজিতে তার চিঠি পড়ে জানা যায় তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন এবং বাড়ির সকলেই সিদ্ধেশ্বর বাবু অর্থাৎ দাদুকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। মিঠাই চলে যাওয়ার কারণেই যে সিদ্ধেশ্বর বাবু এতটা ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের কারো বুঝতে বাকি থাকে না এবং সকলের অনুরোধে সিদ্ধার্ত মিঠাই থেকে ফেরত আনতে যায়।

তবে জনাই তে গিয়ে সিদ্ধার্থ বুঝতে পারে মিঠাই এর মা কোনমতেই মিঠাই কে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেবে না। অবশেষে বাধ্য হয়ে মিঠাইয়ের কাকা এবং গুলতির বুদ্ধিতে সিদ্ধার্থ মিঠাই এর বাড়িতে রাত কাটায় এবং রাতে গোপনে কথা বলার চেষ্টা করে সবটা শুনে মিঠাই প্রচন্ড ভাবে ভেঙে পড়ে, দাদুর জন্য চিন্তায় তার মাথা কাজ করে না। তাই মিঠাই নিজের মাথায় বুদ্ধি এতে ফেলে এবং মাঝরাতে সিদ্ধার্থকে ঘুম থেকে তুলে বলে ‘চলো পালিয়ে যাই’।

এবারে শুধু দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে ধারাবাহিকে কি হতে চলেছে। মিঠাই ফেরত আসার আনন্দের দাদু কি বাড়ি ফিরবেন? এরপরে কি মিঠাই এবং সিদ্ধার্থের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে?

Back to top button