বাংলা সিরিয়াল

রাহুল-রুকমা এবং শ্রুতি-দেবজ্যোতির জন্যে উজ্জয়নী চরিত্রে পায়েল কিছুটা হলেও অন্তরালে চলে যাচ্ছে না তো! প্রশ্ন দর্শকদের

দেশের মাটি ধারাবাহিকটি শুরু হওয়ার পর থেকেই নানা রকম চর্চার মধ্যে দিয়ে সব সময় সংবাদ মাধ্যমের লাইমলাইটে থেকেছে। কখনো জুটি রাহুল রুকমাকে নিয়ে চর্চা হয়তো আবার কখনো জুটি নোয়া কিয়ানকে নিয়ে চর্চা শেষ থাকে না। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় অতিক্রম করেছেন অভিনেত্রী পায়েল দে।

বর্তমানে অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে দেশের মাটি ধারাবাহিকের উজ্জয়িনীর চরিত্রে। তবে দেশের মাটি ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য একটু অন্যরকম। যে প্রবণতা সচরাচর লক্ষ্য করা যায় তা হল ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় বিশেষ কোন দুজন ব্যক্তিবর্গ কে। তবে এই ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে হিরো-হিরোইনের জায়গা নিচ্ছেন তিন জুটি।

দেশে মাটি ধারাবাহিকে লক্ষ্য করা যায় কখনও শ্রুতি দাস এবং দিব্যজ্যোতি দত্ত এর জুটি বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে আবার কখনো দেখা যায় রুকমা রয় এবং রাহুল বন্দোপাধ্যায়ের জুটি রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তবে এই দুটো দুজন ছাড়াও রয়েছে উজ্জয়িনী এবং ডোডো। এই দুজনের সম্পর্কের সমীকরণ ও নতুন করে দেখানো শুরু হচ্ছে। তবে যেভাবে এর আগের দুই জুটি কে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে কোথাও না কোথাও সেই ভাবে এই জুটিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে না।

তাই সবসময় প্রশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে উজ্জয়নী চরিত্রে পায়েল কিছুটা হলেও অন্তরালে চলে যাচ্ছে না তো! প্রশ্ন উঠছে ডোডো এবং উজ্জয়িনীর সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও। তবে এই বিষয়ে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী পায়েল দে। অভিনেত্রী বলেন, এই ধারাবাহিকটি শুরুর পর থেকে আপাতত সব চরিত্রই মুখ্য। এটি হলো এমন এক ধারাবাহিক যেখানে সব চরিত্রই মুখ্য, গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটি জুটির এক একটি ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী রয়েছে। শেষ একবছর ধরে দেশের মাটি ধারাবাহিকে উজ্জয়নী চরিত্রে রয়েছেন তিনি। এই ধারাবাহিকের কাহিনীতে তার চরিত্রের উত্তরণ সম্ভব হয়েছে একমাত্র চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এর জন্যই।

অভিনেত্রী পায়েল দে বর্তমানে উজ্জয়িনীর চরিত্রে অভিনয় করতে করতে কখন যে সেই চরিত্র উজ্জয়নী কেউ ভালোবেসে ফেলেছেন তিনি তিনি নিজে জানেন না। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় তার এই চিত্রনাট্যে চরিত্রটি যেভাবে লিখেছেন তা তাঁর অভিনীত অন্যান্য চরিত্র গুলি তুলনায় একেবারেই ভিন্ন। উজ্জয়নী সঙ্গে তার স্বামীর সম্পর্ক খুব একটা ভালো না হলেও পরিবারের সদস্যের সঙ্গে কিন্তু সে খারাপ ব্যবহার করে না। সব সময় নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করতে পারে উজ্জয়নী। এমনই এক আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাধীনচেতা মহিলা হলেন উজ্জয়নী।

Back to top button