দমদম পার্কে রাস্তার জমা জলে ঘুরছে বিশাল গোসাপ! সবাই বিস্মিত, ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে আজ সারা রাজ্য জুড়ে চলছে প্রবল ঝড় বৃষ্টি। উত্তর ২৪ পরগনাতেও সকাল থেকেই তীব্র বৃষ্টি এবং ঝড়ে। ফলে জল জমেছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদম সংলগ্ন এলাকা বরাবরই জমা জলের জন্য কুখ্যাত। অভিযোগ অতি সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জমে যায় জল। আজও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দমদমের বিভিন্ন এলাকায় কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও বা কোমর সমান জল জমেছে।

আজ তার মধ্যেই দেখা গেল ঘুরছে এক বৃহৎ গোসাপ। দমদম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় একটি পাড়ার মধ্যে জমা জলে এদিন ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় প্রায় দুই হাত লম্বা গোসাপটিকে।

এক স্থানীয় বাসিন্দা সেই জমা জলে ঘোরা গোসাপটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই প্রথমবার গোসাপ দেখে বেশ বিস্মিত। কেউ কেউ আবার জানতে চান এটা কোন সরীসৃপ প্রাণী। অনেকে আবার সেটিকে ‘কুমিরের বাচ্চা’ বলেও কমেন্টে নিজেদের মতামত জানান গোসাপটি দেখে।

এই গোসাপের চালচলন ঠিক সাপের মতনই। আমাদের দেশে এই প্রাণীকে অহরহ দেখা না গেলেও, থাইল্যান্ডে এই প্রাণীকে প্রায়শই এদিক ওদিকে দেখা যায়।

বিরাটকার গোসাপ এমনিতে নিরীহ। তবে তার কুমিরের মতো ভয়াল আকৃতি, সাপের মতো চেরা জিভ বের করা, হিসহিস করে ডাকা সব মিলে প্রাণীটা বিস্ময়ের। এই একই ধরণের প্রাণীর আর একটি হলো ভয়ঙ্কর কোমোডো ড্রাগন। ইন্দোনেশিয়ার কোমোডো দ্বীপে থাকে মারাত্মক হিংস্র প্রাণীগুলো। তবে বাংলার গোসাপ বা গুঁইসাপ নিতান্তই নিরীহ।

বলাইবাহুল্য, নেটিজেনরা বিস্মিত হয়েছেন দমদমের মত জনবহুল এলাকায় পথে গোসাপ ঘোরার ঘটনায়। জলের তোড়ে গোসাপটি কোথা থেকে এসেছে তা কেউই বুঝতে পারছেন না।

প্রসঙ্গত, যখনই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের আভাষ মেলে, তখনই গোসাপদের পুরোনো বাসা থেকে বেরিয়ে নতুন বাসা খুঁজতে দেখা যায়। এর আগেও ফণী, বুলবুলের মতো সাইক্লোনের সময় এদের রাস্তায় দেখা গিয়েছিল। ভিডিওর শেষে দেখা যায় গোসাপটি রাস্তা ধরে জলের উপর দিয়েই পাড়ার গলিতে ঘুরতে থাকে।