করোনা পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে পারে স্বয়ং ‘করোনা দেবী’-ই, পুজো চলছে জোরকদমে! ভাইরাল ভিডিও

বর্তমানে অতিমারির জন্য রাজ্য জুড়ে চলছে লকডাউন। শুধু রাজ্য বা দেশ নয় গোটা বিশ্ব এখনও করোনা জ্বরে জর্জরিত। এর মধ্যেই আবির্ভূত হয়েছেন ‘করোনা দেবী’ নিজেই।

রোগ-ব্যাধির জন্য দেব-দেবীর দ্বারস্থ হওয়া নতুন বিষয় নয়। এর আগের এমন ঘটনা দেখা গেছে বিভিন্ন জায়গায়।

গোটা বিশ্ব জুড়ে ডাক্তাররা যেখানে বার বার সচেতন করছেন মানুষকে করোনা পরিস্থিতিতে সাবধানে থাকার জন্য অর্থাৎ মাস্ক পরতে বলছেন, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে বলছেন, জমায়েত করতে বারন করছেন, ভ্যাকসিন নিতে বলছেন ইত্যাদি বিধি-নিয়ম মেনে চলতে বলছেন। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সব বিধি-নিয়মকে পিছনে ফেলে স্বয়ং ‘করোনা দেবীই’ আবির্ভূত হয়েছেন মানুষের মধ্যে।

‘করোনা দেবী’ই একমাত্র মানুষকে বাঁচাতে পারেন করোনা থেকে ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিতে হবে নে। এমনটাই মনে করছেন তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের বাসিন্দারা।

এই মনে হওয়ার উপর নির্ভর করেই ‘করোনা দেবী’-র একটি আস্ত মন্দির তৈরি হয়ে গেল কোয়েম্বাটুরে। শুধু তাই নয় দেবীর পুজো চলছে জোরকদমে।

সেই মন্দিরের নাম কামাটচিপুরী আধিনাম। এই মন্দিরেই বসানো হয়েছে এই দেড় ফুট লম্বা গ্রানাইট শিলায় নির্মিত ‘করোনা দেবী’-র মূর্তি। কামাটচিপুরী আধিনাম মন্দিরের এক সেবাইত জানিয়েছেন, “করোনার মতো মারণরোগকে একমাত্র করোনা দেবীই জব্দ করতে পারবেন।

তাকে সন্তুষ্ট করতে ৪৮ দিনের একটি বিশেষ পুজোরও আয়োজন করা হয়েছে। তবে চলমান লকডাউনের কারণে এখনই জনসাধারণের জন্য মন্দির খুলে দেওয়া হবে না।” ঐ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা ‘করোনা দেবী’-র উপর আস্থা রেখেছেন। সম্প্রতি মন্দিরে যজ্ঞের আয়োজন করা হবে বলেও জানা গেছে।

করোনা পরিস্থিতি রুখতে মন্দির স্থাপনের ঘটনা প্রথম নয় আগেও হয়েছে। গত বছর কেরালার কোল্লমা জেলার এক পুরোহিতও বাড়িতে এমন এক দেবীর মন্দির স্থাপন করেছিলেন। বর্তমানে অতিমারির জন্য বিধিনিষেধ চলছে রাজ্য জুড়ে, তাই এখনও মন্দিরের দ্বার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি।