১৩ ফুট এর বিশাল আকৃতির কিং কোবরা সাপ ঢুকে গেলো গ্রামে, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

বর্তমার চারদিকে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। কেটে ফেলা হচ্ছে একের পর এক জঙ্গলের একাধিক গাছ। যার জন্য চরম অসুবিধার মুখে পরছে বণ্য পশু পাখিরা।

ক্রমাগত মানুষ নিজের সুবিধার জন্য গাছ কেটে অরণ্য সাফ করে ফেলছে ফলে অরণ্যের জন্তু জানোয়ারেরা সামান্য একটু খাবারের জন্য অরণ্য থেকে ঢুকে পরে গ্রামের মধ্যে, এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

কিছু ক্ষেত্রে তার হিংস্র আচরণ করে আবার কিছু ক্ষেত্রে করেনা । অনেক সময় এই বণ্য জন্তুরা খাবারের জন্য গ্রামে ঢুকে পরে গ্রামের মানুষদের দেখে ভয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। এমন সব ঘটনা এই প্রথম নয় প্রায়ই খবরে দেখা যায়।

সম্প্রতি একটা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে দু-তিনটে লোক ১৩ ফুটের একটা কিং কোবরা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে গ্রামবাসীরা।

যেখানে ঘটনাটা ঘটেছে সেটা জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা সুখানি বস্তি। হঠাৎই এতো বড় কোবরা গ্রামে ঢুকে পরার জন্য স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পরেছেন সমস্ত গ্রামবাসীরা।

এত বড় সাপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা নিজেরা কিছু করার চেষ্টা না করে সোজাসুজি খবর দিয়ে দেন বনদপ্তরে। এরপর ঐ অঞ্চলের সর্পপ্রেমী সৈয়দ নইম বাবুন এসে ১৩ ফুটের ওমন বড় কিং কোবরাটিকে উদ্ধার করেন।

এরপর ঐ শঙ্খচূড় সাপটিকে নিয়ে যাওয়া হয় বনবিভাগের খুলনা রেঞ্জের এক দফতরে এবং সেখানেই তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করে তাকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলে সোমবার দুপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সাধারণত এইসব ক্ষেত্রে গ্রামবাসীরা এতো বড় সাপ দেখে ভয় পেয়ে তাকে মেরে ফেলতে চায় এবং যার ফলে সে কামড়ে দেয়। তবে এক্ষেত্রে তেমন কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

এতো বড় পৃথিবীতে মানুষদের সাথে সাথে সমস্ত বণ্য প্রাণীদের থাকার সমান অধিকার রয়েছে। মানুষ নিজের প্রয়োজনে ক্রমাগত বন জঙ্গল পরিষ্কার করে ফেলেছেন ফলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পরেছে বণ্য প্রাণীরা।