পুরো বিল্ডিং কিনে দেওয়ার আবদার ‘সাঁঝের বাতি’র চারুর, বয়ফ্রেন্ড অপমান করতেই রেগে যান নায়িকা! ভাইরাল ভিডিও

আজকালকার দুনিয়ায় তো রাস্তায় বেরোলে যত না বেশি বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীকে দেখা যায় তার থেকে বেশি চোখে পড়ে অবিবাহিত কাপলসদের। তারাই যেনো এখনকার দিনে ট্রেন্ডিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেমনি আমরা যদি বিনোদন জগতের দিকে চোখ রাখি এরকম অনেক তারকা কপত-কপতিকে দেখা যাবে। সে যেই পর্দাই হোক না কেন, ছোট্ট কিংবা বড় সেখানেই কিন্তু অধিকাংশ তারকারা কাছের মানুষ খুঁজে নিয়েছেন। তেমনি আমাদের টলিউডের টেলি পর্দাকেই দেখুন, সেখানে এরকম উদাহরণ অনেক পাবেন। তারা সোশ্যাল মিডিয়াও খুব সক্রিয়। রীতিমতো তারা প্রিয় মানুষের সঙ্গে ছবি দিয়ে অনুরাগীর সঙ্গেও সেই কথা ভাগ করে নিচ্ছেন।

তবে আপনি প্রিয় মানুষটির কাছে যদি কিছু বড়সড় কিছু চেয়ে বসেন, তাহলে আপনার প্রিয় মানুষটি কিভাবে তার রিঅ্যাক্ট করতে পারে সেটাও নিশ্চয়ই জানা। হ্যাঁ, আজ বলব এরকমই একটা ঘটনা। তারাও কিন্তু টেলি দুনিয়াতে এসে নিজেদের মনের মানুষ খুঁজে নিয়েছেন। তাঁরা হলেন, অভিনেত্রী দেবচন্দ্রীমা সিংহরায় আর অভিনেতা সায়ন্ত মোদক।

সম্প্রতি তাঁরা একটি ঘটনা ঘটালেন। তাঁরা তাঁদের বাড়ির ছাদে বসে আছেন। হঠাৎ করে দেবচন্দ্রীমা পাশের একটি বিল্ডিং দেখে বলে উঠলেন সায়ন্তকে যে তাকে সেই বিল্ডিংটা কিনে দিতে হবে, কিন্তু প্রেমিকার এত বড় একটা চাহিদা কি পূরণ করা যায় নাকি!

তখন সায়ন্ত বলে উঠলেন, তোমাকে কি তোমার বাবা এখানে ছেড়ে গেছেন, নাকি তোমার মা! প্রেমিকের এইরকম বাজে কথা শুনে দেবচন্দ্রীমা রেগে চলেই গেলেন। তাহলে কি সে সায়ন্তকে ছেড়ে একবারেই চলে গেলেন, শেষ হয়ে গেল তাদের ভালোবাসা! আরে মশাই পুরো কথা একবার শুনে তো যান! বর্তমানে বাজারে অনেক ভিডিও এপস এসেছে। তার মধ্যে ইনস্টাগ্রাম অন্যতম।

সেখানেই এরকম একটি কথার সংলাপের সাউন্ডে দেবচন্দ্রীমা ও সায়ন্ত নিছকই মজার ছলে অভিনয় করলেন আর কিছুই না। অভিনয় মহলের মানুষ কিনা! তাই একটু দর্শককে না ভয় পাওয়ালে হয়। এটি দেবচন্দ্রীমা তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে রিল ভিডিওতে পোস্ট করলেন। তবে এই টেলিতারকার পোশাক ছিল ক্যাসুয়াল। ইতোমধ্যে এই ভিডিও অনেক পছন্দের সংখ্যা ও প্রশংসা বার্তা কুড়িয়ে নিয়েছে।

চেনার সুবিধার্থে জানিয়ে রাখি, স্টার জলসা-র ‘সাঁঝের বাতি’ ধারাবাহিকটিতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন দেবচন্দ্রীমা সিংহরায়। আর নায়কের চরিত্রে অভিনয় করছেন রিজওয়ান রব্বানি শেখ। পর্দায় তাঁদের জুটি বেশ পছন্দ করেন দর্শকরা। তাদের কেমিস্ট্রিও ভারি সুন্দর। সেই কারণেই টিআরপি-র দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে এই ধারাবাহিক। কাহিনীতে ‘চারু’ চরিত্রে অভিনয় করছে দেবচন্দ্রীমা। তবে বাস্তবে সায়ন্ত ও দেবচন্দ্রীমা একে অপরের ভ্যালেন্টাইন। সায়ন্ত ও দেবচন্দ্রিমার প্রেমের সূত্রপাতও কিন্তু অভিনয় জগত থেকেই। কালারস বাংলা-র ‘কাজললতা’ ধারাবাহিক থেকে দেবচন্দ্রীমার টেলি দুনিয়া পথ চলা শুরু।

সেখানেই সায়ন্তের সঙ্গে বন্ধুত্বের সূত্রপাত, তার পরেই প্রেম। প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গিয়েছে তাঁদের সম্পর্ক। তবে দেবচন্দ্রীমা পর্দায় যেমন মিষ্টি, ভিতরে তেমনি দুষ্টুমিতে ভরপুর। তাঁর প্রধান ভালোবাসা খাওয়া আর ঘুম। ইচ্ছে হলেই বেরিয়ে পড়েন ঘুরতে। তবে অভিনয় আর পড়াশোনা সামলে বর্তমানে কিন্তু বেশ জমিয়ে ভ্লগিং (Vlog) টাও করছেন দেবচন্দ্রিমা। যেখানে নানা রকম রেস্তোরাঁর খাওয়া থেকে ঘোড়া সবকিছুই দৃশ্যমান হয়। এক্ষেত্রেও তাঁর সঙ্গী সায়ন্ত। দেবচন্দ্রিমা-সায়ন্তর ইউটিউব চ্যানেলের নাম TheConfused Box।

কিছুদিন আগেই এই ব্যস্ত শুটিং শিডিউলের মাঝেই দেবচন্দ্রীমা ও সায়ন্ত পারি দিয়েছিলেন দূর দেশ মলদ্বীপে। উপলক্ষ ছিল প্রেমিকার জন্মদিন সেলিব্রেট করা। মালদ্বীপে গিয়ে বেশ রোমান্টিক ছবি ভিডিও অনবরত পোস্ট করেছিলেন তাঁরা নিজেদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। এইসব ছবিগুলি দেখে বোঝা গিয়েছিল কখনও প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহুর্তের ছবি তুলতে ব্যস্ত অভিনেত্রী আবার কখনও বিকিনি পরে আবেদনময়ী হয়ে উঠেছিলেন দেবচন্দ্রীমা। এইসব ছবিই নেটদুনিয়ায় ভাইরালও হয়েছিল। তবে এখন তাঁরা দেশে ফিরে গিয়েছেন।