তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তাউকটে’, সতর্কতা জারি আবহাওয়া দফতরের

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় তাউকটে। আবহাওয়া দফতর তরফে জানানো এই বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় হতে চলছে মে মাসেই, আগামী ১৬ মে আরব সাগরের উপর ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হতে পারে। যা ২০ মে গুজরাতের কচ্ছ পার করে ওমানের উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা। ঘূর্ণিঝড়টির মায়ানমারে নামকরণ করা হয়েছে তাউকটে, যার অর্থ গেকো।

উত্তর-পূর্ব আরব সাগরে আগামী ১৪ মে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হবে, যা উত্তর, উত্তর-পশ্চিমে ভারতের দিকে এগিয়ে আসতে পারে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে ১৬ মে ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হবে। কেরল, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রের উপকূলে, পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে এই ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, ১৫ মে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।

এই সময়ে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে।অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরাতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ফলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টিপাতে পূর্বাভাস।

সাধারণত প্রতিবছর ভারত মহাসাগরে এপ্রিল-মে মাসে একটি দু’টি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তবে আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হলেও এবছর এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি। তাই চলতি বছরের মে মাসেই হতে চলছে প্রথম ঘূর্ণিঝড়।

আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের উপর তা ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে। ১৪ তারিখ থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের রেশ শুরু হয়ে যাবে, ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।

১৫ তারিখে সেই গতি বেড়ে ঘন্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার ঝড়ের গতি দাড়াবে। এবং ১৬ মে হাওয়ার বেগ প্রতি ঘণ্টার ৮০ কিলোমিটার পৌঁছবে বলে পূর্বাভাস।

এই বিষয়ে আবহাওয়া ভবনের ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক ইন-চার্জ জানিয়েছেন, ‘একটি মডেলে বৈচিত্র্য আছে। এটি যদি ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়, তবে এটাই বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় হবে।

ঘূর্ণিঝড়টি ওমান উপকূল অতিক্রম করে গুজরাতের কিছুটা অংশ এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা।’