ব্যবসার আইডিয়া: মাত্র ৫০০০ টাকা বিনিয়োগ করে প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন

বর্তমানে করোনা কালে অর্থনীতির অবস্থা খুবই খারাপ। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বহু লোক। কাজের জন্য এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ। প্রতিটা মানুষই চায় তার পরিবার এবং তার সন্তানরা ভালো থাকুক।

তাদের যেন কখনও কোনো অভাব না হয়। তবে সব সময় নিজের পরিবারকে ভালো রাখাটা অসম্ভব হয়ে ওঠে কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে। তবে বর্তমানে এক ধরনের ব্যবসায় ৫ হাজার টাকা ইনভেস্ট করে প্রতিমাসে আয় হতে পারে প্রায় ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি। জানেন এটি কোন ব্যবসা? না জানলে জেনে নিন।

বেশ কিছুদিন আগে পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গড়করি মাটির ভাঁড় এর চাহিদা বৃদ্ধির জন্য কাগজ ও প্লাস্টিকের কাপে চা দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

গঙ্গার ঘাট, বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশনের যে চায়ের দোকান গুলি আছে সেখানে মাটির ভাঁড়ে চাহিদা প্রচুর। এছাড়াও মিষ্টির দোকান, পাঞ্জাবী ধাবাগুলিতে মাটির ভাঁড়ের চাহিদা আছে এখনো। বিনিয়োগ করে আয় করা যায় অনেকটা।

কি ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজন ৫ হাজার টাকা এবং কিছুটা জায়গা। তাহলে শুরু করে দেওয়া যাবে এই ব্যবসা। সরকারের তরফ থেকে মাটির ভাঁড় তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ‘কুমোর সশক্তিকরণ যোজনা’ চালু করা হয়েছিল ৷ এই যোজনায় কুমোরদের বিদ্যুৎ চালিত মেশিন দেওয়া হয়।খাদি গ্রামোদ্যোগ আয়োগের চেয়ারম্যান বিনয় কুমার সাক্সেনা জানিয়েছেন যে সরকার এবছর ২৫ হাজার ইলেক্ট্রিক মেশিন বিতরন করেছে ৷

এই মেশিনের সাহায্যে খুব সহজেই মাটির জিনিস খুব দ্রুত তৈরি করা যায়। এবং এরপর সেগুলো সরকার কুমোরদের থেকে ন্যায্য দামে কেনে।

যেহেতু মাটির ভাঁড় পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না সেইজন্য সরকার প্লাস্টিকের কাপের বদলে মাটির ভাঁড়ের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। বর্তমানে ১০০টা মাটির ভাঁড়ের দাম মাত্র ৫০ টাকা। যদি দোকানে গিয়ে মাটির ভাঁড়ে চা খাওয়া হয় তাহলে অনেক জায়গাতেই মাটির ভাঁড়ে চা এর দাম ১৫-২০ টাকা।

মাটির ভাঁড়ে চা বিক্রি করে একদিনে হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। মন দিয়ে পরিশ্রম করে ব্যবসা করলে মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। এছাড়াও মিষ্টির দোকান কিংবা ধাবায় খাবারের দামের সঙ্গে মাটির ভাঁড়ের দাম আলাদা করে নেয়। যদি এই ব্যবসায়ে মন দিয়ে পরিশ্রম করা যায় তাহলে অল্প বিনিয়োগে মাসের শেষে ভালো আয় হবে।